সর্বশেষ

Wednesday, September 25, 2024

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ড. ইউনূসের ৩ প্রস্তাব

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ড. ইউনূসের ৩ প্রস্তাব

 

রোহিঙ্গা সংকটের রাজনৈতিক সমাধানে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বৈঠকে তিন দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রোহিঙ্গা সংকটে সমাধানে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিন দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
রোহিঙ্গা সংকটে সমাধানে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিন দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

আহমেদ সালেহীন

২ মিনিটে পড়ুন

নিউয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের অধিবেশন চলাকালে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সাইড লাইন বৈঠকে বসেন বিভিন্ন দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

 
সংকট মোকাবিলায় নানা আলোচনার এক পর্যায়ে মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া ঘোষণা দেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, আবাসন ও আশ্রয়দাতাদের সহায়তায় প্রায় ২০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
 
এসময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবারও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বনেতাদের সহযোগিতা বাড়ানোর তাগিদ দেন। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় রাজনৈতিক সমাধানসহ তিনটি প্রস্তাব দেন তিনি।
 
ড. ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে জাতিসংঘ মহাসচিবকে বৈশ্বিক সম্প্রদায়কে নিয়ে খুব দ্রুত একটি সম্মেলনের আহ্বান জানাচ্ছি। যাতে নতুন করে সৃজনশীল ও কার্যকরী পন্থায় এই সঙ্কটের সমাধান করা যায়।
 
 
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের পরিচালনায় চলমান যৌথ সাড়াদান প্রকল্পকে (জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান- জেআরপি) বেগবান করতে হবে। জেআরপিতে প্রয়োজনীয় তহবিল জোগারের জন্য রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা বাড়াতে হবে।
 
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে গণহত্যার মতো অপরাধের বিচার ও জবাবদিহিতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আর্ন্তজাতিক অপরাধ আদালতে চলমান মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ। এই মামলা এগিয়ে নিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।
 
সাইড লাইনে বৈঠক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিনে বেশ ব্যস্ত সময় পার করেন ড. ইউনূস। বেশ কয়েকটি দেশ ও সংস্থার নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। যোগ দেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের সংস্থা ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের অনুষ্ঠানেও।
 
 
সেখানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক। এসময় ড. ইউনূস ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের বর্ণনা দেন বিশ্বনেতার সামনে। পরে অন্যতম তিন সমন্বয়ককে পরিচয় করিয়ে দেন আন্তর্জাতিক পরিসরে।
 
এদিকে, জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান। যেখানে যোগ দেন বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরাও। এসময় শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকাও তুলে ধরেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, সারাবিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সবসময়ই কাজ করবে বাংলাদেশ।
 
পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সফটওয়্যার জটিলতায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত, ভোগান্তিতে ব্যবসায়ীরা

সফটওয়্যার জটিলতায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত, ভোগান্তিতে ব্যবসায়ীরা

 

চট্টগ্রাম কাস্টমসে সফটওয়্যার জটিলতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ব্যাহত হচ্ছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। পাশাপাশি জরিমানার আশঙ্কা করছেন ব্যবহারকারীরা। সিস্টেমের আপগ্রেডেশনের কারণে এ সমস্যা জানিয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, সকাল ও রাতের অফপিক সময়ে কাজ করে সংকট কাটানোর চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসে সার্ভার খুবই ধীরগতিতে চলায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ছবি: সময় সংবাদ
চট্টগ্রাম কাস্টমসে সার্ভার খুবই ধীরগতিতে চলায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ছবি: সময় সংবাদ

ফেরদৌস লিপি

১ মিনিটে পড়ুন

আমদানি-রফতানি পণ্য চালানের নথি দাখিলের জন্য প্রায় প্রতিদিনই চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে রাজস্ব কর্মকর্তাদের টেবিলে টেবিলে উপচেপড়া ভিড় সিএন্ডএফ এজেন্টদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর আইজিএম চেক করতে পারলেও কম্পিউটার থেকে সার্ভার জটিলতার কারণে পণ্য চালানের অ্যাসেসমেন্ট সম্ভব হচ্ছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।

 
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনসহ কেউ যথাসময়ে কাজ করতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। তারা জানান, সার্ভার খুবই ধীরগতিতে চলার কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। এতে বাড়ছে ভোগান্তি।
 
 
সিস্টেমের আপগ্রেডেশনের কারণে এ সমস্যা জানিয়ে কাস্টমস বলছে, সকাল ও রাতের অফপিক সময়ে কাজ করে সংকট কাটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে । চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সিস্টেম অ্যানালিস্ট মোহাম্মদ হাসান উজ-জামান খান বলেন,

সার্ভারটি নিয়ন্ত্রণ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সমস্যা সমাধানে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছে।

 

তবে এক্ষেত্রে এনবিআরের উদাসীনতাকে দায়ী করে বিকল্প রাস্তারও ব্যবস্থা রাখার দাবি ব্যবহারকারীদের। চট্টগ্রাম কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল হক খান বলেন, আপগ্রেড ভার্সনটিকে আরও সহজ ও দ্রুতগতির করতে হবে। সেটি যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আগের ভার্সনটিকে চালু রাখতে হবে।
 
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে সর্বপ্রথম আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে আন্তর্জাতিক অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম চালু করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ।